Bakkhali, Frasergunj Tour | Bakkhali Hotel | বকখালি ভ্রমণ

Bakkhali Tour

Bakkhali ঘরে বসে ভাবছেন ২ দিনের ছুটিতে কোথাও ঘুরে আসি? একদম ঠিক কলকাতার খুব কাছে এত সুন্দর মনোরম জায়গা মেলা ভার। শনি, রবি দুদিনের ছুটিতে চলুন ঘুরে আসি বকখালি। শহর থেকে দূরে বকখালিতে এসে সমুদ্র সৈকত, বনবিবির মন্দির, ওয়াচ টাওয়ার, লাল কঁকড়া, মিনি জু ইত্যাদি দেখে নিন। বকখালিতে লোকাল সাইড সিন দেখার জন্য টোটো ব্যবহার করতে পারেন। বকখালিতে প্রধান আকর্ষন হল কুমির চাষ ও মাছ চাষ। বকখালি বিচের মূল আকর্ষন হল ওয়াচ টাওয়ার। এই টাওয়ারে উঠে অনের দূর পর্যন্ত দেখা যায়। অনেকেই এই বিচে সমুদ্র স্নান করতে আসেন বা কেও বিচের ধারে চেয়ার ভাড়া করে বসে থাকেন। বকখালি বিচে সন্ধে বেলা অনেক ছোটো ছোটো দোকান বসে। এখানে নানা রকম খেলনা, শাঁখ, ঝিনুকের তৈরি জিনিস যেমন পাবেন তেমনই গরম গরম সামদ্রিক মাছ ভাজা পেয়ে যাবেন।

বকখালি Bakkhali থেকে লঞ্চ ভাড়া করে জম্বু দীপ বা মৌসুনী আইল্যান্ড ঘুরে আসতে পারেন। বকখালি থেকে জম্বু দীপ লঞ্চে ভাড়া জনপ্রতি ১৫০ টাকা। বেনফিস থেকে সকাল বেলা গঙ্গা সাগর, মৌসুনী আইল্যন্ড ও জম্বু দীপ প্যাকেজ টুরের ব্যবস্থা আছে। কারগিল বিচ কিন্তু অবশ্যই যাবেন, কারন নির্জন এই বিচে লাল কঁকড়া দেখতে পাওয়া যায়।

বকখালি Bakkhali দর্শনীয় স্থান

  • Bakkhali
  • Kargil sea beach
  • Frasergunj
  • Benfish
  • Henry’s island
  • বনবিবির মন্দির, ওয়াচ টাওয়ার, লাল কঁকড়া, মিনি জু,

কি করে যাবেন

  • সড়ক পথে – কোলকাতা থেকে বকখালির দূরত্ব ১২৫ কিমি। এখন হাসানেয়া দেয়ানেয়া ব্রিজ হয়ে গেছে, তাই গাড়ী সোজা বকখালি চলে আসে।   
  • ট্রেনে করে – সকাল সকাল শিয়ালদা স্টেশন থেকে নামখানা লোকাল ধরে চলে আসুন নামখানা। নামখানা থেকে বাস বা ছোটো গাড়ী পেয়ে যাবেন বকখালি যাবার জন্য।      
  • বাসে করে – কলকাতার ধর্মতলা থেকে বকখালি যাবার অনেক সরকারি ও প্রাইভেট বাস পেয়ে যাবেন।
  KANKRAJHORE | কাঁকড়াঝোড় : পশ্চিম মেদিনীপুর বেলপাহাড়ী ভ্রমণ

Bakkahali কোথায় থাকবেন

বকখালিতে থাকার জন্য প্রচুর হোটেল ও লজ আছে। এসি ও নন এসি দু-রকম থাকার জায়গা আছে। নন-এসি ডবল বেড লজ – ৩০০ টাকা। এসি ডবল বেড – ১২০০ টাকা। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গেস্ট হাউস আছে।

হেনরির আইল্যন্ড

বকখালি Bakkhali থেকে একটা টোটো করে ম্যানগ্রোভের জঙ্গল পেরিয়ে চলে আসুন হেনরির আইল্যান্ড। হেনরির আইল্যন্ডের প্রবেশ মূল্য মাত্র ১০ টাকা। এখানে ওয়েস্ট বেঙ্গল গভমেন্টের ফিসারি ডিপাট্মেন্টের গবেষনাগার আছে। এখানে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৮৫ টি মাছ চাষের ভেড়ী আছে।  হেনরির আইল্যন্ডে পশ্চিম বঙ্গ মৎস দপ্তরের একটি সুন্দর টুরিস্ট কমপ্লেক্স ও রেস্তরাঁ আছে। টুরিস্ট লজ থেকে একটা পায়ে হাটা রাস্তা সোজা বেড় হয়ে চলে গেছে সমুদ্র সৈকতের দিকে।

ফ্রেসারগঞ্জ মৎস বন্দর

Bakkhali এরপর টোটো করে চলে আসুন ফ্রেসারগঞ্জ মৎস বন্দর। সমুদ্র থেকে ছোট বড় নৌকা করে জেলেরা মাছ ধরে এখানে নিয়ে আসে। এখানে এসে ফ্রেসার সাহেবের বাড়ির ভগ্নাবশেষ দেখতে পাবেন। ফ্রেসারগঞ্জের মূল আকর্ষন হল এখানকার বায়ুকল গুলি। এক সময় এগুলি চলত। কিন্তু এ গুলো বর্তমানে আচল। ফ্রেসারগঞ্জ বিচে বেশ কিছু দোকান পেয়ে যাবেন। চাইলে এখান থেকে কিছু কেনাকাটা সেরে নিতে পারেন। সন্ধের সময় বিচে নানা রকম সামদ্রিক মাছ যেমন ইলিশ, চিংড়ি, পমপ্লেট সাজিয়ে বিক্রি করে। সমুদ্র দেখতে দেখতে গরম মাছ ভাজা খেতে কার না ভাল লাগে।

কারগিল বিচ

কারগিল বিচ কিন্তু অবশ্যই যাবেন, কারন নির্জন এই বিচে লাল কঁকড়া দেখতে পাওয়া যায়। বেলা বারার সাথে সাথে এরা বালির মধ্যে গর্ত করে ঢুকে যায়। তাই লাল কঁকড়া দেখার ইচ্ছা থাকলে ভোর বেলা এলে ভাল হয়। ফ্রেসারগঞ্জ থেকে টোটো বা অটো করে চলে আসা যায় এই বিচে। এই বিচের আরও একটা নাম হল নারায়ণী বিচ। ফ্রেসার সাহেবের স্ত্রী ছিলেন নারায়ণী দেবী। এছাড়া অনেকে বিকেলে সূর্য অস্ত দেখতে এখানে আসে। তাই একে সানসেট পয়েন্টও বলা হয়। তবে এখানে কোন থাকার হোটেল বা লজ ববস্থা নেই।

  Sundarban Tour Package | সুন্দরবন টুর । ম্যানগ্রোভ বন

বেনফিস

বকখালির কাছে মাছের মূল আকর্ষণ হল বেনফিস। এখান থেকেই মাঝিরা ট্রলার করে সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। এখামে ট্রলার মেরামত করা হয় ও মাছ ধরার সরাঞ্জাম কিনতে পাওয়া যায়। বেনফিস থেকেই কোলকাতাতে ট্রাক ভর্তি করে মাছ যায়। এখানে এসে টাটকা মাছ কিনে হোটেলে নিয়ে গিয়ে ভেজে খেতে পারেন। বকখালির Bakkhali কাছে বেনফিস থেকে জম্বু দীপ লঞ্চে ভাড়া জনপ্রতি ১৫০ টাকা। বেনফিস থেকে সকাল বেলা গঙ্গা সাগর, মৌসুনী আইল্যন্ড ও জম্বু দীপ প্যাকেজ টুরের ব্যবস্থা আছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

You cannot copy content of this page